আর মাত্র আড়াই মাস সময় আছে প্যানেলভুক্ত শিক্ষক নিয়োগ সম্পন্ন করার। এরই মধ্যে প্রায় ২৫ হাজার প্যানেল শিক্ষকের নিয়োগ চূড়ান্ত হয়েছে। বাকি আছে মাত্র ৬ হাজার প্রাথী। সময় যতই ফুরিয়ে আসছে তাদের হতাশা আর আকুতি বাড়ছেই। নিয়োগবঞ্চিত শিক্ষকরা শুধু মন্ত্রণালয় আর অধিদফতরের দিকে চাতক পাখির মতো চেয়ে বসে আছে ৬ মাস ধরে। কখন একটা চিঠি আসবে এবং তাতে লেখা থাকবে বাকি ৬ হাজার প্যানেলভুক্ত শিক্ষককেও নিয়োগ দেওয়া হোক। যদি আড়াই মাসে এমন চিঠি মন্ত্রণালয় থেকে শিক্ষা অধিদফতরে যায়, তাহলে শিক্ষকদের মুখে ফুটবে তৃপ্তির হাসি। তা না হলে তারা হবে দিশেহারা। এই যখন অবস্থা তখন নতুন বছরের শুরুতে প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমানের সঙ্গে তার নির্বাচনি এলাকায় হতভাগ্য প্যানেলভুক্তদের কেউ কেউ দেখা করেছিলেন। মন্ত্রী আশ্বাস দিয়েছেন নতুন বছরে তাদের হতাশ করবেন না। তারপরও নিয়োগ না পাওয়া পর্যন্ত কি মন ভালো রাখা যায়। কারণ এপ্রিলের মধ্যে নিয়োগ না পেলে তাদের ভাগ্যে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা নেই। এটিই নিয়ম, এটিই বিধি। এসব হতভাগ্য প্যানেলভুক্ত শিক্ষক তাই আরও উদ্বিগ্ন। বগুড়ার একজন প্যানেলভুক্ত প্রার্থী ফাহিম হোসেন। তিনি বলেন, ৬ মাস ধরে মন্ত্রীর আশ্বাস পেয়েই যাচ্ছি। নিয়োগ কবে পাব, ২৫ হাজার নিয়োগ হয়ে গেল আজ আমরা কি দোষ করলাম। আমরা কি সরকারের বোঝা হয়ে গেলাম। এসব কথা অনেক দুঃখ নিয়েই বলেছিলেন ফাহিম হোসেন। হবিগঞ্জের আরেক প্রার্থী আকরাম খান বলেন, সরকার একটু মানবিক দিক বিবেচনা করলে আমাদের নিয়োগ সম্পন্ন হয়ে যায়। মন্ত্রণালয় থেকে শুনতে পেয়েছি পদ নাকি শূন্য আছে, তবুও সরকার কেন আমাদের এই নিয়োগ নিয়ে শুধু অপেক্ষার সময় দীর্ঘ করছে। সম্প্রতি কয়েকজন প্যানেল প্রার্থী আমার সংবাদকে জানিয়েছেন, প্রাথমিক গণশিক্ষামন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান তার নিজ নির্বাচনি এলাকায় থাকাকালীন সময়ে আমাদের আশ্বস্ত করে বলেছেন, নতুন ডিজি, সচিবসহ মিটিংয়ে আমি তোমাদের নিয়োগ দিতে বলেছি। প্যানেলের নিয়োগ দিয়েছি পুলের নিয়োগ দিচ্ছি, বাকি তোমাদের এ কয়েকজনকে নিয়োগ দিতে পারব না, তা কি করে হয়। সবার হবে। এছাড়াও চলতি মাসে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আইন শাখা থেকে জানানো হয়েছিল জানুয়ারির শেষদিকে বাকি প্যানেলভুক্ত প্রার্থীদের সবার নিয়োগ চূড়ান্ত হবে। এদিকে প্রায়ই গ্রাম-অঞ্চল থেকে অনেক প্রার্থী কষ্ট করে রাজধানীর মিরপুরের শিক্ষা অধিদফতরের অফিসে গিয়ে ধরনা দিয়ে যাচ্ছেন। তবে তেমন কেনো আশারবাণী না পেয়ে আবার ফিরে যাচ্ছেন গ্রামে। এদিকে প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক সমিতির (প্যানেল) নেতারা জানিয়েছেন, মন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করলে উনি তো আমাদের নিরাশ করেন না। তবে কি আমরা নিয়োগ পাব। সময় ফুরিয়ে আসছে জানিয়ে কয়েকজন বলেন, মন্ত্রণালয় যদি এ মাসে কোনো অর্ডার না দেয়। তাহলে আদালতের দারস্থ হওয়া ছাড়া আমাদের আর কোনো পথ নেই।
বাংলাদেশ নৌবাহিনীর চাকুরির বিজ্ঞপ্তি।
বাংলাদেশ নৌবাহিনীর বিশাল নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি।
Appointment notice of Bangladesh Navy.
আবেদনের শেষ তারিখ : ০৮/০২/২০১৭












